রজব মাসের প্রথম বৃহস্পতি বারের দিবাগত রাতকে “লাইলাতুর রাগায়েব” তথা আশা পূরণ এবং আল্লাহর প্রতি আকর্ষনের রাত বলা হয়। মহানবী (সা.) থেকে এই রাত সম্পর্কে একাধিক হাদীস বর্ণিত হয়েছে। উক্ত রাতে মাগরিবের নামাজের পর এবং এশার নামাজের আগে ১২ রাকাত নামাজ পড়তে হবে। প্রতি রাকাতে সুরা ফাতিহার পর ৩ বার সুরা ক্বদর এবং ১২ বার সুরা ইখলাস পাঠ করতে হবে। ১২ রাকাত নামাজ পড়া শেষ হলে বসা অবস্থায় ৭০ বার বলতে হবে:
اَللّهُمَّ صَلِّ عَلى مُحَمَّدٍ النَّبِىِّ الاُمِّىِّ وَعَلى آلِهِ.
উচ্চারনঃ আল্লাহুম্মা সাল্লে আলা মোহাম্মাদান নাবিইয়েল উম্মি ওয়া আলেহ৷
অতঃপর সিজদায় গিয়ে ৭০ বার বলতে হবে:
سُبُّوحٌ قُدُّوسٌ رَبُّ الْمَلائِکةِ وَالرُّوحِ
উচ্চারনঃ সুব্বুহু ক্বুদ্দুসুন রাব্বুল মালাইকাতি ওয়ার রুহ৷
অতঃপর সিজদা থেকে ওঠার পর বসা অবস্থায় ৭০ বার বলতে হবে:
رَبِّ اغْفِرْ وَارْحَمْ وَتَجاوَزْ عَمّا تَعْلَمُ اِنَّک اَنْتَ الْعَلِىُّ الاَعْظَمُ
উচ্চারনঃ রাব্বিগফির ওয়ার হাম ওয়া তাজাওয়ায আম্মা তা,য়লাম ইন্নাকা আনতাল আলীউল আযিম ৷
অতঃপর আবার সিজদায় গিয়ে ৭০ বার বলতে হবে:
سُبُّوحٌ قُدّوُسٌ رَبُّ الْمَلائِکةِ وَالرُّوحِ
উচ্চারনঃ সুব্বুহু ক্বুদ্দুসুন রাব্বুল মালাইকাতি ওয়ার রুহ৷
অতঃপর দোয়া চাইতে হবে। মহনবী বলেছেন: এই নামাজের পর নামাজির সব বড় বড় গোনাহ মাফ হয়ে যাবে এবং তার সব বড় বড় দোয়া কবুল হবে। আর এই নামাজ সুদর্শন, সুঘ্যাণ ও মিষ্টভাষী ব্যক্তির আকৃতিতে কবর থেকে কিয়ামত পর্যন্ত সকল বিপদে তাকে সহায়তা করবে। এবং সে বিচার দিবস পর্যন্ত শান্তিতে অতিবাহিত করবে।
সুত্রঃ মাফাতিহুল জিনান৷